কহিলেন আরশোলা
নেংটিরে ডাকিয়া
ঐ দেখ গৃহকোণে
কাঠের যে তাকিয়া
তার মাঝে সারে সার
বই কত মজাদার
পণ্ডিত মহাশয়
গিয়াছেন রাখিয়া।
রূপকথা ইতিহাস
গোয়েন্দা গল্প
দ্বিমাসিক পাক্ষিক
সে কি আর অল্প ?
আয় তোরা দলে দলে
ওই ফাঁকে যাই চলে
দামি দামি কিতাবের
মাঝখানে থাকিয়া
নাতিপুতি বড় হবে
সেই সব চাখিয়া।

লাইকাইলাম 🙂
ধন্যবাদ। 🙂
অনেক দিন পর কবিতাটি পড়লাম। পড়ে ভাল লাগল।
ধন্যবাদ………
😦
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
🙂
অনেক দিন পর পড়লাম মজার ছড়াটি। অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা 🙂
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আমার ব্লগ ঘুরে যাবার জন্য।
wow, vabi. Apnar new blog naki? Dawat pelam na kano? 😦
aray, vaiao ase dakha jai… 😀
এইতো তিন/চার দিন হলো ব্লগ খুল্লাম।কিছু লেখি নাই দেখে কাউকে দাওইয়াত দেই নাই। 🙂
আমি কবিতা জিনিসটাকে খুব ভয় পাই। কিন্তু ছড়া খুব খুব পছন্দের। আর সুকুমার রায় হলে তো কথাই নাই- নাম শুনলেই মুখের সব দাঁত একসাথে বের হয়ে আসে। 😀
অনেক ধন্যবাদ, বহুদিন পর কবিতাটি আরেকবার মনে করিয়ে দেবার জন্য…
তানিম ভাই সুকুমার রায়ের ছড়া আমিও খুব পছন্দ করি।তাই সুকুমারের ছড়া দিয়েই ব্লগ শুরু করলাম। 😀
আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য। 🙂
ও মাই গড! আপনার লেখা কবিতা?
অনেক ভাল লাগলো।
আমি আরশোলা ভয় পাইনা মোটেই। 😀
আমার কবিতা না রে ভাই… সুকুমার বড়ুয়ার ছড়া। 🙂
আরশোলা কি বইয়ের পোকা নাকি? 😉
আরশোলা সর্বভূক পোকা। 🙂
সুকুমার ছোটোবেলায় আমাকে অনেক গুলো পুরষ্কার আনতে সাহায্য করেছেন। স্কুলে তার কবিতা আবৃতি করতাম।
ভাবি!!!!
আসলাম!!!
কবিতাটা আগেও পড়ছিলাম তাই না??!!!
ভাল লাগল!!!
হুম…।
সুকুমার সবসময়ই প্রিয়। ছোটোবেলায় তাঁর ছড়া-গল্পো অনাবিল আনন্দের জোয়ারে ভাসাতো।
এখন এ বড়ো-বেলায় এসেও সেগুলো যখন আনন্দ দেয় তখন একটু অবাকই লাগে। যাপিত জীবনের হাজারো আবিলতায় আবিল হতে হতেও মনের এক কোনে এখনও হয়তো শৈশবের সে ছোট্টো মনটার রেশ রয়ে গেছে।
আমার সমাধি হবে অমোঘ চিতায় /
তখন আগুন হয়ো সুকুমার রায়……….
ব্লগ ঘুরে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন। 🙂