মজার খাদ্য/ সুকুমার বড়ুয়া

কহিলেন আরশোলা

নেংটিরে ডাকিয়া

ঐ দেখ গৃহকোণে

কাঠের যে তাকিয়া


তার মাঝে সারে সার

বই কত মজাদার

পণ্ডিত মহাশয়

গিয়াছেন রাখিয়া।

রূপকথা ইতিহাস

গোয়েন্দা গল্প

দ্বিমাসিক পাক্ষিক

সে কি আর অল্প ?

আয় তোরা দলে দলে

ওই ফাঁকে যাই চলে

দামি দামি কিতাবের

মাঝখানে থাকিয়া

নাতিপুতি বড় হবে

সেই সব চাখিয়া।

This entry was posted in রম্য. Bookmark the permalink.

19 Responses to মজার খাদ্য/ সুকুমার বড়ুয়া

  1. tusin ahmed's avatar tusin বলেছেন:

    অনেক দিন পর কবিতাটি পড়লাম। পড়ে ভাল লাগল।
    ধন্যবাদ………
    😦

  2. অনেক দিন পর পড়লাম মজার ছড়াটি। অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা 🙂

  3. ইফতেখার's avatar ইফতেখার বলেছেন:

    wow, vabi. Apnar new blog naki? Dawat pelam na kano? 😦
    aray, vaiao ase dakha jai… 😀

  4. maq's avatar maq বলেছেন:

    আমি কবিতা জিনিসটাকে খুব ভয় পাই। কিন্তু ছড়া খুব খুব পছন্দের। আর সুকুমার রায় হলে তো কথাই নাই- নাম শুনলেই মুখের সব দাঁত একসাথে বের হয়ে আসে। 😀

    অনেক ধন্যবাদ, বহুদিন পর কবিতাটি আরেকবার মনে করিয়ে দেবার জন্য…

  5. Rony Parvej's avatar Rony Parvej বলেছেন:

    ও মাই গড! আপনার লেখা কবিতা?
    অনেক ভাল লাগলো।
    আমি আরশোলা ভয় পাইনা মোটেই। 😀

  6. Rashedul Kabir's avatar Rashedul Kabir বলেছেন:

    আরশোলা কি বইয়ের পোকা নাকি? 😉

  7. Enam [এনাম]'s avatar Enam [এনাম] বলেছেন:

    সুকুমার ছোটোবেলায় আমাকে অনেক গুলো পুরষ্কার আনতে সাহায্য করেছেন। স্কুলে তার কবিতা আবৃতি করতাম।

  8. ইভা's avatar ইভা বলেছেন:

    ভাবি!!!!
    আসলাম!!!
    কবিতাটা আগেও পড়ছিলাম তাই না??!!!
    ভাল লাগল!!!

  9. সুকুমার সবসময়ই প্রিয়। ছোটোবেলায় তাঁর ছড়া-গল্পো অনাবিল আনন্দের জোয়ারে ভাসাতো।
    এখন এ বড়ো-বেলায় এসেও সেগুলো যখন আনন্দ দেয় তখন একটু অবাকই লাগে। যাপিত জীবনের হাজারো আবিলতায় আবিল হতে হতেও মনের এক কোনে এখনও হয়তো শৈশবের সে ছোট্টো মনটার রেশ রয়ে গেছে।

    আমার সমাধি হবে অমোঘ চিতায় /
    তখন আগুন হয়ো সুকুমার রায়……….

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান